GuidePedia

 


আদমদিঘী বাংলাদেশের বগুড়া জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা এবং বগুড়া জেলার পশ্চিমাংশে অবস্থিত। মাদুর শিল্পের জন্য এ উপজেলা প্রসিদ্ধ। এ উপজেলার নশরতপুর ইউনিয়নের শাঁওইল বাজার তাঁত শিল্পের জন্য বিখ্যাত।
আদম-এর দিঘি হতে আদমদিঘী নামের সূচনা হয়েছে। আদমদিঘী থানার পাশে আদম বাবা নামে এক সূফী সাধকের মাজার আছে এবং সে মাজারের উত্তরপার্শ্বে আছে একটি বড় পুকুর, যাকে আদম বাবার দিঘি বলা হয়। কথিত আছে যে, নাটোরের রাণী ভবানী বাবা আদমের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এ পুকুরটি খনন করেন।
১৮২১ সালে আদমদীঘি থানা গঠিত হয়। উপজেলায় রূপান্তরিত হয় ১৯৮৩ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর।
বাংলাদেশে আদমদীঘি উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৪°৪৯′ উত্তর ৮৯°০′ পূর্ব
🚩আয়তন
• মোট
১৬৮.৮৪ বর্গকিমি (৬৫.১৯ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)
• মোট
১,৮৭,০১২
• জনঘনত্ব
১,১০০/বর্গকিমি (২,৯০০/বর্গমাইল)
🚩অবস্থান
বগুড়া সদর থেকে আদমদিঘী উপজেলা সদরের দূরত্ব প্রায় ৩৫ কিলোমিটার। এ থানা উত্তরে জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলা ও স্বজেলার দুপচাঁচিয়া উপজেলা, পূর্বে স্বজেলার কাহালু উপজেলা ও নন্দীগ্রাম উপজেলা, দক্ষিণে নওগাঁ জেলার রানীনগর উপজেলা এবং পশ্চিমে নওগাঁ জেলার সদর থানা দ্বারা বেষ্টিত।
🚩প্রশাসনিক এলাকা
আদমদীঘি উপজেলায় ১ টি পৌরসভা ও ৬ টি ইউনিয়ন আছে। একমাত্র পৌরসভাটি হচ্ছে সান্তাহার পৌরসভা।
উপজেলার ইউনিয়নসমূহ হচ্ছে-
ছাতিয়ানগ্রাম ইউনিয়ন
নশরতপুর ইউনিয়ন
আদমদীঘি ইউনিয়ন
কুন্দগ্রাম ইউনিয়ন
চাঁপাপুর ইউনিয়ন
সান্তাহার ইউনিয়ন[২]
🚩অর্থনীতি
আদমদীঘির অর্থনীতির প্রধান বিষয় মৎস্য ব্যবসা। এখানে রেনু পোনা বিক্রয়ের জন্য নামকরা। এখানে সব মিলে ৭-৮ টি মৎস্য খামার আছে, যেখানে তাদের নিজস্ব পুকুর গুলো থেকে ডিম ওয়লা মাছ ধরে কৃত্রিম উপায়ে বিভিন্ন মাছের রেণু পোনা উৎপাদন করা হয়।
এখানকার প্রায় ৭৫% ভাগ মানুষ মাছের ব্যবসায়ের সাথে সংযুক্ত। বাকি ২৫% ভাগ মানুষ কৃষি কাজ, চাকুরী, আর বিভিন্ন পেশায় জড়িত। অর্থনীতির দিক দিয়ে মুরইল ৮০% ভাগ মানুষ তাঁত শিল্পের উপরে নির্ভরশীল।
🚩মৃৎশিল্প
আদমদীঘি থানাধীন তালশন পালপাড়া সহ কয়েকটি গ্রামে মৃৎশিল্প বা মাটির তৈরি বাসন পাতিল তৈরি করে দেশের বিভিন্ন জেলায় রপ্তানি করা হয়।
🚩দর্শনীয় স্থান
✅সান্তাহার সাইলো
✅বাবা আদমের মাজার ও আদমদিঘীর প্রখ্যাত দিঘী
✅শখের পল্লী
✅রক্তদহ বিল
✅ ফারিস্তা পার্ক
✅ সান্তাহার রেলওয়ে জংশন স্টেশন
✅ সান্তাহার রেলওয়ের সুবিস্তৃত ইয়ার্ড
✅ সান্তাহার রেলওয়ে ওয়াহেদ বক্স মিলনায়তন
✅ সান্তাহার পাওয়ার প্লান্ট
✅ প্লাবনভুমি উপকেন্দ্র, বাংলাদেশ মৎস গবেষণা ইনস্টিটিউট, সান্তাহার।
🚩কৃতী ব্যক্তিত্ব
কছিম উদ্দীন আহমেদ (মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং ১৯৭০ এবং ১৯৭৩ এর নির্বাচিত জাতীয় পরিষদ এবং গণ পরিষদের সদস্য।
অধ্যাপক ড. মছির উদ্দিন, সরকারি আযিযুল হক কলেজ-এর অধ্যক্ষ এবং জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড-এর চেয়ারম্যান ছিলেন।
সূত্রঃ উইকিপিডিয়া

Post a Comment

 
Top